মোঃ গোলাম মোস্তফা, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
ভুক্তভোগী মোছাঃ আয়শা সিদ্দিকা সোমার সঙ্গে মোঃ শাহাদত হোসেন সোহাগের ইসলামী শরীয়া মোতাবেক বিবাহ হয়েছিল। বিবাহের সময় ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা দেনমহর এবং কনের পরিবারের দেওয়া স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র ছিল।
অভিযোগে বলা হয়েছে, কয়েক মাস পর স্বামী ও শ্বশুর পরিবারের উপর ১০ লাখ টাকা এবং পিতার বাড়ির জমি দাবী শুরু করেন। অস্বীকৃতি জানালে মোঃ শাহাদত হোসেন সোহাগ এবং শ্বশুর-শাশুড়ি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালান। ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সোহাগ বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করে এবং তলপেটে লাথি মারেন। চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করেন।
পরে ভুক্তভোগীর পিতা মোঃ আজাহার আলী ঘটনাস্থলে গেলে সোহাগ ধারালো দা দিয়ে মাথায় কোপ মারেন এবং ছোট বোনকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর করেন। আহতদের উদ্ধার করে ভুরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে মোঃ শাহাদত হোসেন সোহাগ, মোছাঃ ছাহেরা বেগম ও মোঃ আব্দুল বারিক তশিলদারের বিরুদ্ধে।