মো. ফরিদ হোসেন।।মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
দৈনিক জনতার দেশকণ্ঠ
আমি মো. ফরিদ হোসেন, দৈনিক জনতার দেশকণ্ঠ পত্রিকার মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি।
গতকাল মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ৪৮ নম্বর গুজুরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আমার তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে হাতের কাজ হিসেবে ফুল তৈরি করে বিদ্যালয়ে নিয়ে যায়। পরে আমার মেয়ে আমাকে জানায়, বিদ্যালয়ের কয়েকজন শিক্ষক ফুল নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রত্যেককে ১০০ টাকা করে নিয়ে আসতে বলেছেন।
বিষয়টি জানার পর আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাইফুল ইসলামকে অবহিত করি। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না। তবে কিছু শিক্ষার্থীর কাছ থেকে টাকা চাওয়ার বিষয়টি তিনি অন্যদের কাছ থেকে শুনেছেন বলে জানান।
পরবর্তীতে আমি কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের বক্তব্য গ্রহণ করে বিষয়টি সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেনকে অবহিত করি এবং সংশ্লিষ্টদের ভিডিও বক্তব্য তাঁর কাছে পাঠাই। তিনি বিষয়টি পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তার নজরে আনার পর আজ সকালে কবিরের সার দোকানের সামনে কুদ্দুস নামের এক ব্যক্তি আমাকে হুমকি দিয়েছেন বলে আমি অভিযোগ করছি। আমার অভিযোগ, তিনি আমাকে ‘খেসারত দিতে হবে’ বলে হুমকি দেন এবং মারধরের ভয় দেখান।
আমি একজন সাংবাদিক হিসেবে কোনো ব্যক্তির সঙ্গে ব্যক্তিগত বিরোধে জড়ানোর উদ্দেশ্যে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার অভিযোগটি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনার দায়িত্ববোধ থেকেই বিষয়টি তুলে ধরেছি।
এ অবস্থায় আমার নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে মানিকগঞ্জ জেলা অনলাইন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া রিপোর্টার্স ইউনিটির সকল সাংবাদিক ভাইদের কাছে বিষয়টি অবহিত করছি এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতা ও পাশে থাকার জন্য আন্তরিকভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ, ঘটনাটি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হোক এবং হুমকির অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।
সকল সাংবাদিক ভাইদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা।
মো. ফরিদ হোসেন
মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
দৈনিক জনতার দেশকণ্ঠ
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান