নীলফামারীর জলঢাকায় ‘এ নিউজ নেটওয়ার্ক’-এর ফরম বিতরণ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ অপুকে জড়িয়ে প্রকাশিত একটি সংবাদ নিয়ে আপত্তি ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি ফোনে আবু সাঈদ অপুর কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গেছে।
জানা যায়, জলঢাকায় ‘এ নিউজ নেটওয়ার্ক’-এর ফরম বিতরণ কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে স্থানীয় কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মীর প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওই প্রতিবেদনে আবু সাঈদ অপুকে জড়িয়ে বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে নীলফামারীর স্থানীয় সংবাদকর্মীদের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
এদিকে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি পরবর্তীতে ফোনের মাধ্যমে আবু সাঈদ অপুর সঙ্গে কথা বলে নিজের ভুল স্বীকার এবং ক্ষমা প্রার্থনা করেন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি নিয়ে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির অবসান হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
আবু সাঈদ অপু বলেন, ‘এ নিউজ নেটওয়ার্ক’-এর ফরম বিতরণ কার্যক্রম নিয়ম মেনে ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছিল। তবে একটি পক্ষের ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত স্বার্থের কারণে পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্য যাচাই-বাছাই ও বস্তুনিষ্ঠতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য নেওয়া এবং তথ্যের সত্যতা যাচাই করা উচিত।
এদিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ায় জলঢাকার স্থানীয় সাংবাদিক সমাজে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তির অবসান হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে নীলফামারীর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। তাদের মতে, ব্যক্তিগত বিরোধ বা আক্রোশের কারণে গণমাধ্যমকে ব্যবহার করা উচিত নয়। সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানান তারা।
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান