
নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও তাদের মদদপুষ্টদের মাধ্যমে দেশব্যাপী অস্থিতিশীল পরিবেশ ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অভিযোগ এবং ডেমরা থানায় সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিক্ষোভ মিছিলটি ডেমরার স্টাফ কোয়ার্টার এলাকা থেকে শুরু হয়ে বড় ভাঙ্গা পর্যন্ত যায়। পরে বড় ভাঙ্গা এলাকায় একটি অস্থায়ী ট্রাকমঞ্চে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেমরা থানা যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ডা. রফিকের নেতৃত্বে মিছিলটি স্টাফ কোয়ার্টার থেকে বড় ভাঙ্গা পর্যন্ত যায়। ডা. রফিক ঢাকা-৬৯ আসনের কমিশনার পদপ্রার্থী বলেও সমাবেশে জানানো হয়।
সমাবেশে বক্তব্য দিতে গিয়ে ডা. রফিক বলেন, “আমরা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি চাই না। আমরা সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করি না। ডেমরা থানায় কাউকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবে না। আমরা শান্তি, সম্প্রীতি ও মানুষের ভালোবাসা নিয়ে সবাইকে একসঙ্গে বসবাস করতে চাই।”
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ৬৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের পদপ্রার্থী ইউসুফ আলী ও আশরাফুল, ৭০ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি আবুল হোসেন, যুবদল সেক্রেটারি মো. শরিফ মাদবর, যুবদল নেতা তানজিল, পলাশ ভূঁইয়া ও সুজন।
এছাড়া ৬৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিন ও মো. শামীমসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। ১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক যুবদল সভাপতি এবং বর্তমানে ৬৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক পদপ্রার্থীসহ ডেমরা থানা যুবদলের নেতাকর্মীরাও সমাবেশে অংশ নেন।
সমাবেশে বিভিন্ন ওয়ার্ড ও থানা পর্যায়ের নেতারা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তাদের অভিযোগ, ফ্যাসিস্ট আমলের সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজরা এখনও দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।
বক্তারা আরও বলেন, ডেমরার মাটিতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও নৈরাজ্যের কোনো স্থান হবে না। কেউ এ ধরনের কর্মকাণ্ডের চেষ্টা করলে তা প্রতিহত করা হবে বলেও তারা বক্তব্যে উল্লেখ করেন।
সমাবেশের শেষ পর্যায়ে বক্তারা “সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত ডেমরা চাই” এবং “ফ্যাসিস্টদের ডেমরায় ঠাঁই নাই”—এমন বিভিন্ন স্লোগান দেন।