নীলফামারীর ডোমার উপজেলার গোমনাতী ইউনিয়নের দক্ষিণ আমবাড়ী পশ্চিমপাড়া গ্রামে স্বামীর দ্বিতীয় বিয়েতে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রথম স্ত্রীকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূ ময়না বেগমের অভিযোগ, ২০০৬ সালে মমতাজ উদ্দিনের ছেলে পারভেজ হাসানের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। তাদের সংসারে তিন সন্তান রয়েছে।
ময়না বেগমের দাবি, ২০২৪ সালে চাকরির সুবাদে পারভেজ হাসান সৌদি আরবে যাওয়ার পর গোমনাতী কলেজপাড়া এলাকার রাসেল আহমেদের স্ত্রী, দুই সন্তানের জননী এবং গোমনাতী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সেলিনা আক্তার সুমির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। গত ৯ জুলাই সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরার পর পারভেজ হাসান তার অনুমতি ছাড়াই গত ২৩ জুলাই গোপনে সেলিনা আক্তার সুমিকে বিয়ে করেন বলে অভিযোগ করেন ময়না।
এরপর থেকে তাদের দাম্পত্য জীবনে অশান্তি দেখা দেয় বলে জানান তিনি। গত ১৫ সেপ্টেম্বর পারভেজ হাসান দ্বিতীয় স্ত্রী সেলিনা আক্তার সুমিকে নিজ বাড়িতে নিয়ে আসেন। এ নিয়ে দুই স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ চলছিল বলে দাবি ময়নার।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর দুপুরে পারিবারিক বিরোধের একপর্যায়ে পারভেজ হাসান ও সেলিনা আক্তার সুমি তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন ময়না বেগম। পরে খবর পেয়ে তার ভাই ও ভাবি ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
তবে ময়না বেগমকে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পারভেজ হাসান ও সেলিনা আক্তার সুমি। তাদের দাবি, পারিবারিকভাবে সামান্য ঝগড়া হয়েছে, তবে তাকে মারধর করার কোনো ঘটনা ঘটেনি।
ভুক্তভোগী ময়না বেগম ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান