
নওগাঁর ধামইরহাটে ছাগলে জমির করলা গাছ খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আবুল কাশেম (৪২) নামে এক কৃষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের চার সদস্য আহত হয়েছেন। পুলিশ এ ঘটনায় মামলার প্রধান আসামিসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলার জাহানপুর ইউনিয়নের বড় শিবপুর মাস্টারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আবুল কাশেম ওই গ্রামের মৃত রাজ মাহমুদ মণ্ডলের ছেলে।
আহতরা হলেন—নিহতের বড় ভাই মোক্তার আলী, বদিউল ইসলাম, ছোট ভাই ইমরান আলী ও ভাইয়ের স্ত্রী রেখা বেগম। তারা বর্তমানে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেলে একই গ্রামের আব্দুল হাকিমের ছেলে মো. রনি (৩৫)-র জমির করলা গাছ আবুল কাশেমের ছাগলে খাওয়াকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। স্থানীয়দের দাবি, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল।
কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় রনি ধারালো চাকু দিয়ে আবুল কাশেমকে আঘাত করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্বজন মো. আবু সাঈদ হোসেন বাদী হয়ে ধামইরহাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান জানান, মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি রনিসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে। শনিবার সকালে আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। নিহতের স্বজনরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান