
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মুন্সীগঞ্জ থেকে তরুণী এনে গণধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি মো. লিটন মিয়াকে (২৬) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৩ অক্টোবর) নিজ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার লিটন মিয়া ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নলেয়া রশিদ মোড় এলাকার বাসিন্দা।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাতে নলেয়া রশিদ মোড় এলাকা থেকে মামলার ভুক্তভোগী মোছা. আরশি আক্তারকে উদ্ধার করে পুলিশ। একই সময় মামলার এজাহারভুক্ত আসামি মো. মোখলেছুর রহমান মিঠুকেও গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চর ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের সামাদের ঘাট এলাকায় চায়ের আড্ডার আড়ালে নাচ-গানসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অভিযোগ রয়েছে। গত ২৫ সেপ্টেম্বর মুন্সীগঞ্জ থেকে তিন তরুণীকে সেখানে আনা হয় বলে অভিযোগ করা হয়। পরে দুজন সেখান থেকে চলে গেলেও আরশি আক্তার থেকে যান।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ভুক্তভোগীকে সেখানে আটকে রেখে গত ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে সামাদের ঘাটের কাশিয়া বাড়ির কাশফুল ক্ষেতে মো. মোখলেছুর রহমান মিঠু, মো. নাইনুল ইসলাম, মো. লিটন মিয়া, মো. আল আমিন ও মো. ফুল মিয়া ওরফে ফুলবর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। এ সময় তার কাছ থেকে ৫ হাজার ৬০০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন নিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে পাঁচজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়। মামলার এজাহারভুক্ত আসামিদের মধ্যে মোখলেছুর রহমান মিঠু ও লিটন মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজিম উদ্দিন লিটন মিয়াকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান