পদোন্নতির প্রত্যাশায় কঠিন মূল্যায়ন পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন লালমনিরহাট জেলা পুলিশের সদস্যরা। প্যারেড, অস্ত্র পরিচালনা ও সাক্ষাৎকার—বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষার্থীদের শৃঙ্খলা, পেশাগত দক্ষতা, জ্ঞান ও যোগ্যতা যাচাই করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) লালমনিরহাট জেলা পুলিশের বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা-২০২৬-এর অংশ হিসেবে পরীক্ষার্থীদের প্যারেড মূল্যায়ন, অস্ত্র পরিচালনা পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হয়।
কনস্টেবল থেকে নায়েক ও এটিএসআই, নায়েক থেকে এএসআই (সশস্ত্র), এটিএসআই থেকে টিএসআই এবং এএসআই (সশস্ত্র) থেকে এসআই (সশস্ত্র) পদে পদোন্নতির লক্ষ্যে পুলিশ সদস্যরা এসব পরীক্ষায় অংশ নেন।
পরীক্ষা পরিচালনা বোর্ডের সভাপতি হিসেবে প্যারেড মূল্যায়ন, অস্ত্র পরিচালনা পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার গ্রহণ করেন লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আসাদুজ্জামান।
পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষার্থীদের প্যারেডে শৃঙ্খলা ও দক্ষতা, অস্ত্র পরিচালনায় সক্ষমতা, দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা এবং পেশাগত জ্ঞানসহ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে মূল্যায়ন করা হয়।
বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষা পরিচালনা বোর্ডের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ শাহাদত হোসেন সুমা, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ গোলাম মোর্শেদ এবং লালমনিরহাট পুলিশ লাইন্সের আরআই মোঃ মির্জা সাজ্জাদ আলম।
এ সময় লালমনিরহাট জেলা পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তা, ফোর্স সদস্য এবং বিভাগীয় পদোন্নতি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পদোন্নতি প্রত্যাশী পুলিশ সদস্যদের জন্য এ পরীক্ষা ছিল নিজেদের পেশাগত যোগ্যতা ও দক্ষতা প্রমাণের গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ। প্যারেডের শৃঙ্খলা, অস্ত্র পরিচালনার সক্ষমতা এবং সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে প্রতিটি পরীক্ষার্থীর সামগ্রিক যোগ্যতা যাচাই করা হয়।
সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, নির্ধারিত মূল্যায়নে যারা যোগ্যতা অর্জন করবেন, তারা পদোন্নতির পরবর্তী ধাপে অগ্রসর হওয়ার সুযোগ পাবেন।
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান