মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার অবৈধভাবে মজুত ও নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির অভিযোগে অভিযান চালিয়ে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। একই সঙ্গে গুদামে অবৈধভাবে মজুত রাখা ১২৭টি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করে নির্ধারিত মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
বুধবার (৭ অক্টোবর) সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া বাজার ও দরগ্রাম বাজারে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান রুমেলের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, এলপিজি গ্যাসের কৃত্রিম সংকট রোধ, অবৈধ মজুত বন্ধ এবং সরকারি নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে বাজার তদারকির অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিনটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়।
জরিমানাপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—দরগ্রাম বাজারের মোকাদ্দেছ এন্টারপ্রাইজ, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ধারা ৪০ অনুযায়ী ৫ হাজার টাকা; সাটুরিয়া বাজারের আবদুল্লাহ এন্টারপ্রাইজ, ধারা ৪০ অনুযায়ী ৫ হাজার টাকা এবং একই বাজারের মাছরাঙ্গা এন্টারপ্রাইজ, ধারা ৪০ ও ৪৪ অনুযায়ী ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে সর্বমোট ৬০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
অভিযান পরিচালনাকালে মানিকগঞ্জ জেলা নিরাপদ খাদ্য কর্মকর্তা রওশন আরা রিনি, সাটুরিয়া উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর নিলুফা ইয়াসমিন ঝর্না এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মানিকগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আসাদুজ্জামান রুমেল জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একটি গুদামে অবৈধভাবে মজুত রাখা ১২৭টি এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার উদ্ধার করা হয়। পরে সিলিন্ডারগুলো সরকারি নির্ধারিত বাজার মূল্যে সাধারণ ভোক্তাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্যাস সিলিন্ডারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, অবৈধভাবে মজুত কিংবা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে বিক্রির বিরুদ্ধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বাজার ব্যবস্থা স্থিতিশীল রাখা ও জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
ই-পেপার
সম্পাদক ও প্রকাশক : মিজানুর রহমান