
আজ ৯ অক্টোবর। ১৯৯৮ সালের এই দিনে জামালপুর শহরের তৎকালীন বুড়ি মা দোকানের মোড়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তৎকালীন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ারুল হক আনোয়ার। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার জেরে তাঁকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের। দিনটি স্মরণে আজও শোক ও বিচারের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয়দের অনেকে।
ঘটনাটি সে সময় জামালপুর শহরে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবিতে শহরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি পর্যন্ত দেয়াললিখন ও পোস্টারে ছেয়ে যায় বলে জানা যায়।
এ হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও নানা প্রশ্ন ও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের কারও কারও অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল। তাঁদের দাবি, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে মামলাটির নিরপেক্ষ পুনঃতদন্ত প্রয়োজন।
নিহত আনোয়ারুল হক আনোয়ারকে একজন সৎ, নিষ্ঠাবান ও পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ হিসেবে স্মরণ করেন তাঁর অনুসারী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি তাঁর পরিবার ও স্বজনদের কাছে বেদনাদায়ক হয়ে রয়েছে। তবে পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন কি না, তা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জামালপুরের সচেতন নাগরিকদের প্রত্যাশা, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের সামনে ১৯৯৮ সালের ওই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে যেসব প্রশ্ন রয়েছে, সেগুলোরও আইনানুগ ও নিরপেক্ষ পর্যালোচনা করা হবে।
আনোয়ারুল হক আনোয়ারের মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা। ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিরোধ বা স্বার্থের কারণে যেন আর কোনো প্রাণহানির ঘটনা না ঘটে, সেই প্রত্যাশাও জানিয়েছেন তাঁর\