রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হাইমচরে মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কৃতিত্বের জন্য গ্রাম পুলিশকে পুরস্কৃত হাইমচরে ৬ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীদের সঙ্গে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় ধামইরহাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলামের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, নেতা-কর্মীদের মধ্যে আনন্দ রাঙ্গামাটির বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার আব্দুর রকিব চন্দনাইশে গাছবাড়ীয়া সার্বজনীন হরিমন্দিরে বস্ত্র বিতরণ, উপস্থিত পুলিশ সুপার হাইমচরের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক মানিকগঞ্জে যমুনা নদীতে অভিযান, ৫০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল ও ইলিশ জব্দ পাঁচবিবিতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল, চ্যাম্পিয়ন রনি একাদশ মেলান্দহে ৮৩ পিস ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা গ্রেপ্তার, কারাগারে হরিরামপুরে বিদ্যুৎ সংযোগের ক্যাবল রাখা নিয়ে বিরোধ, মন্দির কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

রী কালাইয়ে আলোর ফাঁদে শনাক্ত হচ্ছে ধান ক্ষেতের ক্ষতিকর ও উপকারী পোকা

mijanur rohman
জয়পুরহাট প্রতিনিধি: আব্দুল কাদের / বার্তা পাঠানো হয়েছে
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
  • বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

জয়পুরহাটের কালাইয়ে আমন ধানের ক্ষেতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকামাকড় শনাক্ত করতে ‘আলোক ফাঁদ’ ব্যবহার করছে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। মাঠপর্যায়ে আলোক ফাঁদ স্থাপনের মাধ্যমে পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণের পাশাপাশি কৃষকদের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকা সম্পর্কে ধারণা এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার নুনুজ বাজারে বিভিন্ন গ্রাম থেকে আসা কৃষকদের নিয়ে আলোক ফাঁদ স্থাপন করে এর কার্যকারিতা ও ব্যবহারিক দিক তুলে ধরা হয়। এ সময় ধানখেতে থাকা বিভিন্ন ধরনের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকামাকড় সম্পর্কে কৃষকদের ধারণা দেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদয়পুর ইউনিয়নের দায়িত্বশীল উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম, রুবেল মিয়া ও শিমুল ইসলাম।

কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের জানান, ধানখেতে থাকা সব পোকাই ক্ষতিকর নয়। কিছু পোকা ফসলের জন্য ক্ষতিকর হলেও অনেক পোকা ক্ষতিকর পোকামাকড় দমনে প্রাকৃতিকভাবে ভূমিকা রাখে। তাই পোকা দেখা দিলেই নির্বিচারে কীটনাশক প্রয়োগ না করে আগে পোকার ধরন ও উপস্থিতির মাত্রা শনাক্ত করা জরুরি।

তারা জানান, আলোক ফাঁদের মাধ্যমে পোকার উপস্থিতি সম্পর্কে আগাম ধারণা পাওয়া গেলে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়। এতে একদিকে ফসলকে ক্ষতিকর পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করা যায়, অন্যদিকে অপ্রয়োজনীয় কীটনাশক ব্যবহার কমিয়ে কৃষকের উৎপাদন ব্যয় ও পরিবেশের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব কমানো সম্ভব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হারুনুর রশিদ জানান, কালাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বিভিন্ন ব্লকে আলোক ফাঁদ স্থাপন করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে ধানখেতে ক্ষতিকর ও উপকারী পোকার উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পর্যবেক্ষণের তথ্যের ভিত্তিতে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ধানখেতের পাশে একটি বাতি জ্বালিয়ে তার নিচে পানি বা কেরোসিন মেশানো পানি রাখা পাত্রের মাধ্যমে সহজেই আলোক ফাঁদ তৈরি করা যায়। রাতে আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বিভিন্ন ধরনের পোকা ওই পাত্রে পড়ে। পরে সেগুলো সংগ্রহ করে শনাক্ত করা হয়।

কৃষকদের নিয়মিত ধানখেত পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি অচেনা বা অস্বাভাবিক পোকার উপস্থিতি দেখা দিলে কৃষি বিভাগের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত II দৈনিক জনতার দেশকন্ঠ II আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ। জিমেইল : janatardeshkhantho@gmail.com
Theme Customized By BreakingNews