রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপূজা ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, পাটগ্রামের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আদিতমারিতে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় নতুন উদ্যোগ, প্রতিটি মণ্ডপে বডি ক্যামেরায় নজরদারির পরিকল্পনা মাদারীপুরের রাজৈরে ১০০ পিস ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার আদিতমারিতে জোবেদা বেগম নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসার উদ্বোধন করলেন এমপি রোকন উদ্দিন বাবুল মেলান্দহে ৮৩ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার বিএনপি নেতা বহিষ্কার মানিকগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত সন্দেহে ২ হাজার ছাড়াল রোগী, হাম শনাক্ত ৪৭ জনের জয়পুরহাটের দুর্গাদহ কলার হাটে কোটি টাকার বাণিজ্য, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা লালমনিরহাট সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ পাঁচবিবিতে পুকুর সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু লালপুরে অনলাইন জুয়া ও বেটিং পরিচালনার অভিযোগে যুবক আটক, দুটি মোবাইল জব্দ

ক্ষেতলালে পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে

জয়পুরহাট প্রতিনিধি: আব্দুল কাদের / বার্তা পাঠানো হয়েছে
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
  • শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এক মেডিকেল অফিসারের বিরুদ্ধে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত মাদক মামলার আসামি আব্দুল মজিদকে গ্রেপ্তারের পর অসুস্থ হয়ে পড়লে চিকিৎসার জন্য ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দায়িত্বরত মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহমিদা ফাইজার সঙ্গে আসামির চিকিৎসা দেওয়াকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদস্যদের কথাকাটাকাটি হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশের অভিযোগ, এ সময় এসআই বজলুর রহমান, এএসআই বেলাল ও এএসআই অখিলসহ তিন পুলিশ সদস্যের সঙ্গে চিকিৎসক অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং আসামিকে চিকিৎসা দিতে অনীহা প্রকাশ করেন। পরে বিষয়টি জানতে পেরে ক্ষেতলাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুক্তারুল আলম হাসপাতালে গেলে তাঁর সঙ্গেও অসদাচরণ করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে আসামিকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে ক্ষেতলাল থানার ওসি মুক্তারুল আলম বলেন, “বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।”

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে মেডিকেল অফিসার ডা. ফাহমিদা ফাইজার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর বক্তব্য জানতে পারলে তা-ও প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

এ ছাড়া ওই চিকিৎসক হাসপাতালের কোয়ার্টারে না থেকে জেলা সদরে অবস্থান করেন বলেও স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়েছে। তবে এ তথ্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের বিষয়ে তাঁর বক্তব্য এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক অবস্থান জানা গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত II দৈনিক জনতার দেশকন্ঠ II আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ। জিমেইল : janatardeshkhantho@gmail.com
Theme Customized By BreakingNews