
সেলিম হোসেন, সাতক্ষীরা (কলারোয়া) উপজেলা প্রতিনিধি।
সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার চন্দনপুর ইউনিয়নের রামভদ্রপুর এলাকার খলিলের বটতলা ২০২৪ সালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে পরিচিতি লাভ করে। বর্ষা মৌসুমে ভারতের ইছামতী নদীর পানি এবং টানা বৃষ্টির ফলে যশোর ও সাতক্ষীরা জেলার মধ্যবর্তী বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়।
এ সময় যশোর জেলার শার্শা উপজেলার গোগা ও কায়বা ইউনিয়ন এবং সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া উপজেলার সোনাবাড়িয়া ও চন্দনপুর ইউনিয়নের মাঠভরা ধান পানিতে তলিয়ে যায়। এতে সাধারণ কৃষকদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
অন্যদিকে, চার রাস্তার মোড়ে অবস্থিত খলিলের বটতলা এলাকায় বসতবাড়ি তুলনামূলক কম হওয়ায় চারদিকেই থইথই পানি জমে যায়। বর্ষার পানিতে বটতলার চারপাশ ঘিরে নৌকা চলাচল শুরু হয়। মানুষজন এখানে নৌকায় ঘুরে বেড়ানো, গোসল করা ও মাছ ধরার জন্য ভিড় করতে থাকে।প্রথমে ১০–২০ জন মানুষ এলেও ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা ৫০ জনে পৌঁছায়। পরে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মোটরসাইকেল ও সাইকেলে করে দর্শনার্থীরা আসতে শুরু করেন। ২০২৫ সালের বর্ষা মৌসুমে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার মানুষ এই খলিলের বটতলায় ভিড় করেন।মানুষের আগমনের ফলে সেখানে গড়ে ওঠে অস্থায়ী দোকানপাট। বিনোদন, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, কৌতুক ভিডিও ও টিকটক শুটিংয়ের কারণে এলাকাটি ‘মিনি কক্সবাজার’ নামে ব্যাপক পরিচিতি পায়।তবে ২০২৫ সালের বর্ষা শেষে পানি নেমে যাওয়ায় বর্তমানে সেই খলিলের বটতলা প্রায় জনশূন্য হয়ে পড়েছে। এখন দিনে সর্বোচ্চ ৫০ থেকে ১০০ জন মানুষ সেখানে আসছেন।