1. live@www.janatardeshkhantho.com : দৈনিক জনতার দেশ কন্ঠ : দৈনিক জনতার দেশ কন্ঠ
  2. info@www.janatardeshkhantho.com : দৈনিক জনতার দেশ কন্ঠ :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০১:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপুরে অবৈধ পুকুর খননের বিরুদ্ধে প্রশাসনের অভিযান, ৫টি ভেকু নিষ্ক্রিয় তদন্তে সব স্পষ্ট, তবু ফাইলবন্দি শাস্তি—পুঠিয়ায় বিচারহীনতার ভয়াবহ নজির! বগুড়ার ধুনটে গাঁজাসহ ৫ জন গ্রেফতার, মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড শিক্ষার আঙিনায় বিষের ব্যবসা, ডিএনসির অভিযানে গ্রেফতার ভূরুঙ্গামারীতে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের দুই সদস্য গ্রেপ্তার আদিতমারীর ভাদাই ইউনিয়নে হিন্দু সম্প্রদায়ের সঙ্গে মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রোকন উদ্দিন বাবুল বগুড়ায় ট্যাপেন্টাডলসহ একজন গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীতে গৃহবধূকে গলাকেটে হত্যা, স্বামী পলাতক কলারোয়া কলেজ মাঠে বিতর্কিত টিকটকার মিটআপ: তদন্তে সাতক্ষীরা সাইবার ক্রাইম অ্যালার্ট টিম লালমনিরহাটে মোসাব্বির হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

গোদাগাড়ীতে কৃষকের উৎপাদন বাড়াতে প্রণোদনা বিতরণ

মোঃ নাহিদ ইসলাম , ব্যুরো প্রধান, রাজশাহী ।
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

নাহিদ ইসলাম, রাজশাহী ব্যুরো:

রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ীতে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে রবি মৌসুমে বোরো উফশী ও বোরো (হাইব্রিড) ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ক্ষুদ্র উফশী ধান চাষী ও কৃষকের মাঝে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে পরিষদ অডিটোরিয়ামে অর্থবছরের রবি মৌসুমে উফশী ধান, হাইব্রিড ধান ও গম চাষী কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং ফসলের মান উন্নয়নের লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কৃষি সম্প্রসার অফিসার মোঃ আল-আমিন হোসেন।

এ সময় ১ হাজার ৪২০ জন উফশী ধান চাষী ও কৃষকের মাঝে প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে। প্রতি কৃষককে সরবরাহ করা হয়েছে বীজ, ডিএপি সার এবং এমওপি সার, যা ধান চাষে তাদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়ক হবে। এছাড়াও গম চাষী ৭৫ জন কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে বীজ ২০ কেজি, টিএসপি সার ২০ কেজি, ইউরিয়া ৩৫ কেজি, এমওপি সার ১৮ কেজি, জিপসাম ১৭ কেজি, জিংক সালফেট ১ কেজি এবং বোরণ ১ কেজি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউনও) মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন। তার বক্তব্যে তিনি বলেন,

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাহী অফিসার (ইউনও) মোঃ নাজমুস সাদাত রত্ন বলেন,“কৃষকরা আমাদের দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের মূল চালিকাশক্তি। এ প্রণোদনা কর্মসূচি শুধুমাত্র ধান ও গমের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নয়, বরং কৃষকের জীবনমান উন্নয়নের একটি কার্যকর উদ্যোগ। আমরা চাই, প্রতিটি কৃষক যেন আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, উন্নত মানের বীজ এবং যথাযথ সার ব্যবহার করে নিজের ফসলের উৎপাদন ও মান বৃদ্ধি করতে পারেন। সরকারি সহায়তার মাধ্যমে কৃষকরা লাভবান হবেন এবং এর প্রভাব সারা অঞ্চলের খাদ্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় দৃশ্যমান হবে। আমাদের লক্ষ্য ডিপজলা উপজেলাকে খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ করা এবং কৃষকদের আয় বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।”

উপজেলা কৃষি অফিসার মরিয়ম আহমেদ বলেন,“এই প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা নতুন ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে ধান ও গম চাষে বেশি ফলন নিশ্চিত করতে পারবেন। আমাদের অফিস মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছে, তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করছে। শুধু সরবরাহ নয়, আমরা চাই কৃষকরা এই প্রণোদনা উপকরণ যথাযথভাবে ব্যবহার করুন যাতে সর্বোচ্চ ফলন পাওয়া যায়। ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি মানেই শুধু খাদ্য বৃদ্ধি নয়, বরং কৃষকের আর্থিক নিরাপত্তা, আত্মনির্ভরতা এবং উন্নয়নের একটি স্থায়ী ভিত্তি গড়ে তোলা। আমি আশা করি, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের উপজেলা কৃষিকাজে নতুন দিগন্তের দিকে এগিয়ে যাবে এবং কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করে আরও সমৃদ্ধ হবেন।”

উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শায়লা শারমিন বলেন, “কৃষকরা আমাদের দেশের অর্থনৈতিক ও খাদ্য নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। শুধুমাত্র ধান ও গমের উৎপাদন বৃদ্ধিই নয়, বরং আমাদের লক্ষ্য হলো কৃষকদের আয় বৃদ্ধি, জীবনমান উন্নয়ন এবং দীর্ঘমেয়াদে উপজেলা সম্পূর্ণভাবে খাদ্য নিরাপদ ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করা। এই প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ, উন্নত মানের বীজ ও সারের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।

আমাদের দপ্তর মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সঙ্গে কাজ করছে, তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি সহায়তা প্রদান করছে। এছাড়াও, আমরা চাই কৃষকরা শুধু ফসল নয়, পশুপালন ও সমন্বিত কৃষি ব্যবস্থায়ও উৎপাদন বাড়াতে সক্ষম হোক। আধুনিক পদ্ধতি ও মানসম্মত উপকরণ ব্যবহার করলে শুধু খাদ্যের পরিমাণ বাড়বে না, বরং কৃষকের আর্থিক নিরাপত্তা, আত্মনির্ভরতা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নও নিশ্চিত হবে।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে আমাদের আশা, স্থানীয় কৃষকরা আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত হবেন, তাদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং উপজেলার খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আরও দৃঢ় হবে। আমরা চাই প্রতিটি কৃষক যেন প্রণোদনার সুবিধা যথাযথভাবে ব্যবহার করে নিজ নিজ ফসল ও পশুপালনের উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যেতে পারেন। এর ফলে শুধু একটি ঋতুর ফলন নয়, বরং উপজেলা জুড়ে কৃষিকাজে স্থায়ী পরিবর্তন এবং উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলবে।”

উক্ত প্রণোদনা কর্মসূচির মাধ্যমে কৃষকরা রবি মৌসুমে উন্নত মানের বীজ ও সার ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন ও মান বৃদ্ধি করতে সক্ষম হবেন। কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্থানীয় বাজারে খাদ্যের পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে, এবং অর্থনৈতিকভাবে তারা আরও সুরক্ষিত হবেন। এই উদ্যোগ স্থানীয় কৃষকদের আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি গ্রহণে উৎসাহিত করছে এবং দীর্ঘমেয়াদে খাদ্য নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সিনিয়র উপজেলা মৎস কর্মকর্তা, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শায়লা শারমিন, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা। এছাড়া কৃষি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারী।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট