মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
টাঙ্গাইলে ‘Job Fair 2026’: তাৎক্ষণিক নিয়োগ ৪৪৬ জনের, এক মাসে চাকরি পাবেন আরও ১,৫৮১ জন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাতের প্রত্যাশা ট্রাম্পের, বোয়িং কেনার সিদ্ধান্তে ধন্যবাদ নারায়ণগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত শাহজাদপুরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আলোচনা, দোয়া ও বৃক্ষরোপণ সিংগাইরে যুবকদের দক্ষতা উন্নয়নে কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কিং প্রশিক্ষণ দিরাইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে কৃষি কার্ডের তৃতীয় ধাপের নগদ অর্থ ও চাল বিতরণ শিবালয়ে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বিভিন্ন মাদরাসা পরিদর্শনে সিসিক প্রশাসক: ‘সিলেট ঐতিহ্যগতভাবেই ধর্মীয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নগরী’ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জয়পুরহাটে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, কেক কাটা ও আলোচনা সভা ধামইরহাটে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

বিসিবিতে আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার নির্বাচন আজ

- / বার্তা পাঠানো হয়েছে
রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬

৮ মাসের ব্যবধানে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের দুটি নির্বাচন। গত বছর অক্টোবরের নির্বাচনের সময় আমিনুল ইসলাম ছিলেন বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে, এবার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। জাতীয় দলের দুই সাবেক অধিনায়কের অধীনে বিসিবির দুটি নির্বাচনের মধ্যে পার্থক্য একটিই— আগের নির্বাচনটা হয়েছিল রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে, এবার হচ্ছে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে।

নির্বাচন উপলক্ষে আলোকসজ্জাও করা হয়েছে সেখানে। গত বছরের ৬ অক্টোবরের নির্বাচনের সঙ্গে এই নির্বাচনের চোখে পড়ার মতো আর কোনো পার্থক্য নেই। বিসিবির নির্বাচন সেবারও একপেশে হয়েছে, সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আজকের আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম নয়। আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় নির্বাচনের যে ফল ঘোষণার কথা, তার চিত্রনাট্য অনেকটা আগের নির্বাচনের মতোই আগে লিখে রাখা।

গত এপ্রিলে আমিনুলের কমিটি ভেঙে ‘স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের যে অ্যাডহক কমিটি করা হয়েছিল, তার ৭ জনই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী। ‘অস্বচ্ছতা’র অভিযোগ তুলে গত নির্বাচন থেকে এই প্রার্থীদের কেউ কেউ সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে এবারের ছক এমনই কঠিন যে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোনো প্রতিপক্ষই রাখা হয়নি প্রার্থী তালিকায়। উল্টো নির্বাচনের এক–তৃতীয়াংশ প্রার্থীই সরকারি দলের মন্ত্রী আর সংসদ সদস্যদের আত্মীয়স্বজন, আছেন সরকারি দলের নেতাও।

গত নির্বাচনে যেমন তখনকার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ছকে ক্যাটাগরি–১ থেকে পছন্দের কাউন্সিলর ও প্রার্থী ঠিক করা হয়েছিল, এবারও সেভাবেই সাজানো হয়েছে সব। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ১০ পরিচালকের মধ্যে ৭ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই নির্বাচিত হয়ে গেছেন। নির্বাচন হচ্ছে শুধু খুলনা বিভাগের দুটি আর বরিশালে একটি পরিচালক পদের জন্য। এর মধ্যে খুলনা বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরিশালের ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা’টাও মূলত ক্ষমতাসীনদের মধ্যেই।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন ক্যাটাগরি–৩–এর একমাত্র পরিচালকও। তবে ক্লাব ক্যাটাগরিতে কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেননি। ১২ পরিচালক পদের বিপরীতে ১৮ থেকে কমে প্রার্থী এখন ১৬ জন। এর মধ্যে বেশির ভাগই নির্বাচনের আগেই বোর্ডে বসা নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচনটা তাঁদের জন্যও তাই হয়ে দাঁড়িয়েছে আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত II দৈনিক জনতার দেশকন্ঠ II আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ। জিমেইল : janatardeshkhantho@gmail.com
Theme Customized By BreakingNews