1. live@www.janatardeshkhantho.com : - : -
  2. info@www.janatardeshkhantho.com : - :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কোডাই পদ্ধতি ও বৈশ্বিক সংগীত যোগাযোগ’ বিষয়ক কর্মশালার উদ্বোধন বোচাগঞ্জে প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন ও অডিটোরিয়াম পরিদর্শনে এমপি পিনাক চৌধুরী ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত আরএফসি রেস্টুরেন্টে খাবার খেয়ে ১৩ জন হাসপাতালে ভর্তি ভুরুঙ্গামারীতে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন হাতিবান্ধা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ করে দিল বিজিবি ও স্থানীয়রা কুলিয়াচরে ঘর কেটে আইফোন চুরি, এলাকায় আতঙ্ক মাদারীপুরে মাদক নির্মূলে সোচ্চার যুবসমাজ দিনাজপুরের বোচাগঞ্জে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের আনন্দ ও মোটরসাইকেল শোভাযাত্রা ভূরুঙ্গামারী – ঢাকাগামী বাস সার্ভিস পুনরায় চালুর দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

বিসিবিতে আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার নির্বাচন আজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ঢাকা
  • প্রকাশিত: রবিবার, ৭ জুন, ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

৮ মাসের ব্যবধানে বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের দুটি নির্বাচন। গত বছর অক্টোবরের নির্বাচনের সময় আমিনুল ইসলাম ছিলেন বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে, এবার অ্যাডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল। জাতীয় দলের দুই সাবেক অধিনায়কের অধীনে বিসিবির দুটি নির্বাচনের মধ্যে পার্থক্য একটিই— আগের নির্বাচনটা হয়েছিল রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে, এবার হচ্ছে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামের বিসিবি কার্যালয়ে।

নির্বাচন উপলক্ষে আলোকসজ্জাও করা হয়েছে সেখানে। গত বছরের ৬ অক্টোবরের নির্বাচনের সঙ্গে এই নির্বাচনের চোখে পড়ার মতো আর কোনো পার্থক্য নেই। বিসিবির নির্বাচন সেবারও একপেশে হয়েছে, সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। আজকের আনুষ্ঠানিকতা রক্ষার নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম নয়। আজ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোট হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় নির্বাচনের যে ফল ঘোষণার কথা, তার চিত্রনাট্য অনেকটা আগের নির্বাচনের মতোই আগে লিখে রাখা।

গত এপ্রিলে আমিনুলের কমিটি ভেঙে ‘স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ’ নির্বাচন আয়োজনের জন্য তামিম ইকবালের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের যে অ্যাডহক কমিটি করা হয়েছিল, তার ৭ জনই এবারের নির্বাচনে প্রার্থী। ‘অস্বচ্ছতা’র অভিযোগ তুলে গত নির্বাচন থেকে এই প্রার্থীদের কেউ কেউ সরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তবে এবারের ছক এমনই কঠিন যে নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন তোলার মতো কোনো প্রতিপক্ষই রাখা হয়নি প্রার্থী তালিকায়। উল্টো নির্বাচনের এক–তৃতীয়াংশ প্রার্থীই সরকারি দলের মন্ত্রী আর সংসদ সদস্যদের আত্মীয়স্বজন, আছেন সরকারি দলের নেতাও।

গত নির্বাচনে যেমন তখনকার যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়ার ছকে ক্যাটাগরি–১ থেকে পছন্দের কাউন্সিলর ও প্রার্থী ঠিক করা হয়েছিল, এবারও সেভাবেই সাজানো হয়েছে সব। জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার ১০ পরিচালকের মধ্যে ৭ জনই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়ই নির্বাচিত হয়ে গেছেন। নির্বাচন হচ্ছে শুধু খুলনা বিভাগের দুটি আর বরিশালে একটি পরিচালক পদের জন্য। এর মধ্যে খুলনা বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা কম। বরিশালের ‘তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা’টাও মূলত ক্ষমতাসীনদের মধ্যেই।

বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে গেছেন ক্যাটাগরি–৩–এর একমাত্র পরিচালকও। তবে ক্লাব ক্যাটাগরিতে কেউ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে পারেননি। ১২ পরিচালক পদের বিপরীতে ১৮ থেকে কমে প্রার্থী এখন ১৬ জন। এর মধ্যে বেশির ভাগই নির্বাচনের আগেই বোর্ডে বসা নিশ্চিত করেছেন। নির্বাচনটা তাঁদের জন্যও তাই হয়ে দাঁড়িয়েছে আনুষ্ঠানিকতা মাত্র।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত II দৈনিক জনতার দেশকন্ঠ II আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট