
নিজস্ব প্রতিবেদক,লালমনিরহাটঃ আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লালমনিরহাট-২ আসনের বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) প্রার্থী বাদশা মিয়া তার প্রতিদ্বন্দ্বী সব বৈধ প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলের জন্য নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন। তবে শুনানি শেষে নির্বাচন কমিশন সব প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রার্থীরা হয়রানির অভিযোগ তুলে বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
শনিবার, ১৭ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশনে শুনানি শেষে এ তথ্য জানান এক ভুক্তভোগী প্রার্থীর আইনজীবী।
জানা গেছে, লালমনিরহাট-২ আসনে মোট ২৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এর মধ্যে রিটার্নিং কর্মকর্তা ৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।
তবে বিএনএফ প্রার্থী বাদশা মিয়া তার প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রোকন উদ্দিন বাবুল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাহফুজুর রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ফিরোজ হায়দার লাভলু, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির নিমাই চন্দ্র রায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী মমতাজ আলী, জনতার দলের শামীম কামাল ও জাতীয় পার্টির এলাহান উদ্দিনের প্রার্থিতা বাতিলের আবেদন করেন।
শুনানি শেষে ভুক্তভোগীদের আইনজীবী আনোয়ার হোসেন রেজা সাংবাদিকদের বলেন, নানা ধরনের ভুয়া অভিযোগ এনে লালমনিরহাট-২ আসন থেকে চক্রান্ত করে বাদশা মিয়া অন্যায়ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বীদের মনোনয়ন বাতিলের জন্য আপিল করেন, যা নজিরবিহীন।
তিনি আরও বলেন, এ ধরনের হয়রানির কারণে আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে এক কোটি টাকা জরিমানার দাবি জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ৭ জন প্রার্থীকে বৈধ ঘোষণা করেছে। আমরা বাদশা মিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে এক কোটি টাকার মানহানি মামলা দায়ের করব।