রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত সন্দেহে ২ হাজার ছাড়াল রোগী, হাম শনাক্ত ৪৭ জনের জয়পুরহাটের দুর্গাদহ কলার হাটে কোটি টাকার বাণিজ্য, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা লালমনিরহাট সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ পাঁচবিবিতে পুকুর সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু লালপুরে অনলাইন জুয়া ও বেটিং পরিচালনার অভিযোগে যুবক আটক, দুটি মোবাইল জব্দ কালাইয়ে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী সরালেন ঠিকাদার লালমনিরহাটে কুমড়ীরহাট-গোড়ল সড়কের উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হাইমচরে মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কৃতিত্বের জন্য গ্রাম পুলিশকে পুরস্কৃত হাইমচরে ৬ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীদের সঙ্গে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় ধামইরহাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলামের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, নেতা-কর্মীদের মধ্যে আনন্দ

ঋণ দেওয়ার আশ্বাসে সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে উধাও এনজিও কর্মীরা

- / বার্তা পাঠানো হয়েছে
রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬
  • রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের রাজপুর ইউনিয়নে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে সঞ্চয়ের নামে বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহ করে উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি কথিত এনজিওর তিন কর্মীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সমিতি নামে একটি এনজিওর পরিচয়ে তিনজন কর্মকর্তা রাজপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে ঋণ পাওয়ার আগে বাধ্যতামূলকভাবে সঞ্চয় জমা রাখতে হবে বলে জানানো হয়। তাদের কথায় বিশ্বাস করে জগৎবেড়, মধুরাম, নাইয়াটারী, রথীপুর ও মোল্লাটারী গ্রামের বাসিন্দারা সঞ্চয়ের নামে টাকা জমা দেন।

ভুক্তভোগীদের দাবি, কারও কাছ থেকে ৫ হাজার, কারও কাছ থেকে ৬ হাজার, ১০ হাজার এবং কারও কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত নেওয়া হয়েছে। পরে নির্ধারিত সময়ে ঋণ দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও তা আর বাস্তবায়ন হয়নি।

স্থানীয়রা জানান, তিস্তা দালালপাড়ায় মানিক ডাক্তারের একটি বাসা ভাড়া নিয়ে ওই এনজিওর অস্থায়ী অফিস পরিচালনা করা হচ্ছিল। গত বৃহস্পতিবার বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে টাকা সংগ্রহের পর শনিবার সকাল ১১টায় ঋণ বিতরণের জন্য সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়।

কিন্তু শনিবার নির্ধারিত সময়ে ভুক্তভোগীরা অফিসে গিয়ে দেখেন, অফিস সম্পূর্ণ খালি। সেখানে কোনো কর্মকর্তা নেই এবং তাদের ব্যবহৃত আসবাবপত্রও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এরপর থেকেই অভিযুক্ত তিন কর্মীর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।

বাসার মালিক জানান, এনজিওর কর্মীরা বাসা ভাড়ার টাকাও পরিশোধ না করেই চলে গেছেন। যাওয়ার আগে তিনি বিষয়টি জানতে চাইলে তারা বলেন, “আমরা অন্য এলাকায় জরিপ করতে যাচ্ছি।” এরপর থেকে তাদের মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রতারিত ব্যক্তিরা অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং তাদের কাছ থেকে আত্মসাৎ করা টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত এনজিওর কোনো কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত II দৈনিক জনতার দেশকন্ঠ II আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ। জিমেইল : janatardeshkhantho@gmail.com
Theme Customized By BreakingNews