
বিশেষ প্রতিবেদক:
বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা ও মানবসেবার সমন্বয়ে নীলফামারীর গণমাধ্যম ও সামাজিক অঙ্গনে নিজের আলাদা অবস্থান তৈরি করেছেন তরুণ গণমাধ্যমকর্মী আল মিজান ইসলাম। সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে তিনি স্থানীয় মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
পেশাগত জীবনে আল মিজান ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় দৈনিক ‘আমাদের মাতৃভূমি’ এবং জাতীয় দৈনিক ‘জনতার দেশকণ্ঠ’-এর স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি সংবাদমাধ্যম ‘JUFAS News’-এর সহকারী পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।
সাংবাদিকতার মাধ্যমে মানুষের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি নীলফামারীর সাংবাদিকদের অধিকার ও পেশাগত পরিবেশ উন্নয়নে ভূমিকা রাখার চেষ্টা করছেন আল মিজান। স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডেও তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা যায়।
মানুষের কল্যাণে কাজ করার প্রত্যয় থেকে তিনি গড়ে তুলেছেন ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’। সংগঠনটির উদ্যোগে অসহায় মানুষের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা, জরুরি রক্তের ব্যবস্থা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং বিভিন্ন মানবিক সংকটে সহযোগিতা দেওয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তার নেতৃত্বে স্বেচ্ছাসেবীদের একটি দল এসব কাজে অংশ নিচ্ছে।
ব্যস্ত পেশাজীবনের মাঝেও নিজের শেকড় ও শৈশবের স্মৃতিকে ধরে রেখেছেন আল মিজান। অবসর সময়ে গ্রামীণ ঐতিহ্যের লাটিম খেলায় অংশ নিয়ে তিনি খুঁজে নেন শৈশবের সেই সরল আনন্দ।
স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রয়োজনের সময়ে আল মিজানকে পাশে পাওয়া যায়। অসুস্থ ব্যক্তির চিকিৎসার ব্যবস্থা, জরুরি রক্তের সন্ধান কিংবা বিভিন্ন সামাজিক সংকটে সহযোগিতা—সাধ্যমতো মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন তিনি।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “মিজান আমাদের এলাকার গর্ব। মানুষের বিপদে তাকে পাশে পাওয়া যায়। রোগীর চিকিৎসা, রক্তের ব্যবস্থা কিংবা সামাজিক কোনো প্রয়োজনে সহযোগিতা—সে তার সামর্থ্য অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে।”
নিজের সাংবাদিকতা ও মানবসেবার বিষয়ে আল মিজান ইসলাম বলেন, “আমি কোনো হিরো বা বড় কিছু হওয়ার জন্য কাজ করি না। নীলফামারীর কাদা-মাটির সঙ্গে আমার শিকড়। আমি বিশ্বাস করি, সাংবাদিকতার উদ্দেশ্য শুধু তথ্য পরিবেশন নয়; মানুষের কথা তুলে ধরা এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখাও এর অংশ। কলম দিয়ে যেমন অন্যায়ের প্রতিবাদ করা যায়, তেমনি সহানুভূতি নিয়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েও তাদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। ‘বাণী আল ফাতাহ ফাউন্ডেশন’ সেই ভাবনা থেকেই একটি ছোট প্রয়াস।”
তিনি আরও বলেন, “যতদিন কাজ করার সুযোগ থাকবে, নীলফামারীর মানুষের অধিকার, কল্যাণ ও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনের জন্য নিজের জায়গা থেকে কাজ করে যেতে চাই।”
সাংবাদিকতার পাশাপাশি মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থেকে আল মিজান ইসলাম তরুণদের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ তৈরি করছেন। সত্য ও মানুষের কল্যাণকে সামনে রেখে তার এই পথচলা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয়দের।