রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মানিকগঞ্জে হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত সন্দেহে ২ হাজার ছাড়াল রোগী, হাম শনাক্ত ৪৭ জনের জয়পুরহাটের দুর্গাদহ কলার হাটে কোটি টাকার বাণিজ্য, ভোগান্তিতে কৃষক-ব্যবসায়ীরা লালমনিরহাট সীমান্তে ১২ জনকে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবির বাধায় ব্যর্থ বিএসএফ পাঁচবিবিতে পুকুর সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু লালপুরে অনলাইন জুয়া ও বেটিং পরিচালনার অভিযোগে যুবক আটক, দুটি মোবাইল জব্দ কালাইয়ে ১ কোটি ৫৪ লাখ টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী সরালেন ঠিকাদার লালমনিরহাটে কুমড়ীরহাট-গোড়ল সড়কের উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হাইমচরে মাসিক উন্নয়ন সভা অনুষ্ঠিত, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে কৃতিত্বের জন্য গ্রাম পুলিশকে পুরস্কৃত হাইমচরে ৬ ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীদের সঙ্গে এমপি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের মতবিনিময় ধামইরহাট উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক তৌহিদুল ইসলামের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার, নেতা-কর্মীদের মধ্যে আনন্দ

সাটুরিয়ায় লাইলী হত্যার রহস্য উদঘাটন, ২৪ ঘণ্টায় মূল আসামি গ্রেফতার

-
ফরিদ হোসেন। মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি / বার্তা পাঠানো হয়েছে
সোমবার, ৩১ অগাস্ট, ২০২৬
  • সোমবার, ৩১ অগাস্ট, ২০২৬

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় ফসলি জমি থেকে উদ্ধার হওয়া লাইলী বেগম ওরফে ফাতেমা (৫৮) হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত মো. আফছারকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

সোমবার (৩০ আগস্ট) বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলম এ তথ্য জানান।

পুলিশ সুপার জানান, নিহত লাইলী বেগমের সঙ্গে গ্রেফতার আফছারের দীর্ঘ ১৮ থেকে ১৯ বছরের সম্পর্ক ছিল। দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েন ও বিয়ে সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

গ্রেফতার আফছারের বাড়ি মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার মৈশলোহা গ্রামে। বর্তমানে তিনি ঢাকার পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।পুলিশ জানায়, গত ৩০ আগস্ট সকাল আনুমানিক ১০টা ৪৫ মিনিটে সাটুরিয়া থানার নাহার গার্ডেন সংলগ্ন একটি নির্জন ফসলি জমিতে এক নারীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকার খবর পায় পুলিশ। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সাটুরিয়া থানা পুলিশ। এরপর নিহতের পরিচয় শনাক্ত ও হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়।

পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারওয়ার আলমের নির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালোর তত্ত্বাবধানে ডিবির এসআই মো. হিমেল হোসেনের নেতৃত্বে একটি দল সাটুরিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় অভিযান শুরু করে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই মূল অভিযুক্ত আফছারকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও গ্রেফতার ব্যক্তির জবানবন্দির বরাত দিয়ে পুলিশ সুপার জানান, গত ২৯ আগস্ট বিকেলে লাইলী বেগমকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকার সেনপাড়া পর্বতা এলাকা থেকে সাটুরিয়ায় আসেন আফছার। সন্ধ্যার পর তারা নয়ডঙ্গী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থান করেন। পরে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তারা নাহার গার্ডেনের অদূরে একটি নির্জন স্থানে যান।

সেখানে বিয়ে সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আফছার লাইলী বেগমের গলায় কাপড় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। পরে মৃত্যু নিশ্চিত করতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় বলেও জানিয়েছে পুলিশ।

হত্যাকাণ্ডের পর মরদেহ ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে আফছার পালিয়ে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তাকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় ডিবি পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মাসুম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন, সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাউদ্দিন, ডিবির ওসি মানবেন্দ্র বালো ও সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোশাররফ হোসেনসহ পুলিশের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত II দৈনিক জনতার দেশকন্ঠ II আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ। জিমেইল : janatardeshkhantho@gmail.com
Theme Customized By BreakingNews