
সেলিম হোসেন, সাতক্ষীরা কলারোয়া উপজেলা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরা: আজ ১৬ ফেব্রুয়ারি কলারোয়ায় নির্বাচনের কারচুপির অভিযোগ তুলে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক রইচউদ্দিন সাহেবসহ কলারোয়ার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আগত বিএনপি নেতা-কর্মীরা।
বক্তারা বলেন, তালা ও কলারোয়ায় গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এই প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। তালা ও কলারোয়া (১) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী ছিলেন জনাব হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এমপি পদপ্রার্থী ছিলেন অধ্যাপক ইজ্জতউল্লাহ।
সমাবেশে নেতারা অভিযোগ করেন, তালা ও কলারোয়ায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়নি। তাদের দাবি, প্রতিটি ইউনিয়নে ভোট কারচুপি হয়েছে। জনাব হাবিবুল ইসলাম হাবিবকে পরাজিত করার জন্য পরিকল্পিতভাবে নানা অনিয়ম করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তোলেন তারা।
বক্তারা আরও বলেন, সাতক্ষীরা জেলার একজন ন্যায়নীতি ও আদর্শবান ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হাবিবুল ইসলাম হাবিব বিগত ৬ বছর বিভিন্ন মামলায় জড়িত থেকে ৭০ বছরের কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। ১৯৯০ সাল থেকে তিনি সাতক্ষীরার মানুষের কাছে পরিচিত মুখ। তাকে হারানোর জন্য চক্রান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ ইজ্জতউল্লাহকে নিয়েও সমালোচনা করেন নেতারা। তারা বলেন, যাকে আগে অনেকে চিনতেন না, তিনি হঠাৎ করে এসে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে ফলাফল প্রভাবিত করেছেন।
বিএনপি নেতারা এই নির্বাচনের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তারা দাবি করেন, শুধু তালা ও কলারোয়া নয়, সাতক্ষীরার চারটি আসনেই পুনঃনির্বাচন দিতে হবে। তাদের অভিযোগ, চারটি আসনের একটিতেও বিএনপি জয়ী হয়নি, কারণ ভোট কারচুপি হয়েছে।
শেষে তারা ঘোষণা দেন— তালা ও কলারোয়ার নির্বাচন তারা মানেন না এবং নতুন করে নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান।